কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর আবার চালু হবে জাতীয় জুট মিলস্, রায়পুর, সিরাজগঞ্জ।
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মিলটি শিগগিরই চালু করবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

এই চটকলটি আগে কওমি জুট মিলস্ হিসাবে পরিচিত ছিল।
২০০৮ সালে লোকসানের অজুহাতে এটি বন্ধ করে দেয়া হয়।
২০১১ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় জুট মিলস্ নাম করন করে এটি আবার চালু করেন।কিন্তু দুঃখের বিষয় মিলটি কয়েক বছর চলার পর লোকসানের অজুহাতে আবার বন্ধ হয়ে যায়।

লাগাতার লোকসান এড়ানোর জন্যই নাকি এখন থেকে জাতীয় জুট মিলস্ পাবলিক – প্রাইভেট পার্টনারশিপ পদ্ধতিতে চলবে। কুষ্টিয়ার রশীদ কোম্পানি নামে একটি প্রতিষ্ঠান সরকারের কাছ থেকে এটি ভাড়া নিয়েছে পাচ বছরের জন্য। মালিকানা সরকারেরই থাকবে, লাভ লোকসান বেসরকারি কোম্পানির।
কোম্পানি নির্ধারিত অর্থ দিয়ে মিল চালানোর জন্য কার্যক্রম শুরু করেছে এ মাসের শুরু থেকে। মেশিনপত্র আধুনিকায়ন করার কাজ চলছে। ৪০ জনের মত মেকানিক্স কাজে নিয়োজিত হয়েছেন ইতিমধ্যেই। ইতিপূর্বে যেসব শ্রমিক কাজ করেছে তাদের দিয়েই কাজ শুরু করার কথা শোনা যাচ্ছে।
বড় ধরনের উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়েই ভাড়া গ্রহিতা প্রতিষ্ঠানটি এগুচ্ছে জানা গেছে। এজন্য তিন হাজারের বেশি শ্রমিক নিয়োগ দিতে হবে ধারণা করা হচ্ছে।চলতি পাট মৌসুমেই চালু করার চেষ্টা হচ্ছে, জানলাম।
এখবরে সিরাজগঞ্জ এর আপামর জনগণ খুশি।
মিলটি পুনরায় চালু হলে সিরাজগঞ্জ এর আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়বে সহজেই বোঝা যায়। জনগণ মিলটি দ্রুত চালু করার পক্ষে।

তবে, বি জে এম সির কাছে পুরাতন শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ করার দাবি পুরন করা উচিত বলে সবাই দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করে।
নতুন পরিচালকগন আগামীতে সকল শ্রমিককে জাতীয় মজুরি কমিশন ঘোষিত ন্যুনতম মজুরি দিবেন বলে সবাই আশা করে।
নিজেদের ও মানবিক স্বার্থেই পুরানো শ্রমিকদের নিয়োগ দিবেন বলে সবার দাবি।
এর সঙ্গে সঙ্গে মিলগেট পর্যন্ত সকল রাস্তা দ্রুত সংস্কার করা অত্যাবশ্যক বলে আমরা মনে করি। সিরাজগঞ্জ পৌরকর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করবেন আশা করি।

জাতীয় জুট মিলস্ অর্থাৎ সাবেক কওমি জুট মিলস্ এ পর্যন্ত অনেকবার চালু হলো,অনেকবার বন্ধ হলো,লোকসানের অজুহাতে। এবার চালু হবার পর আর বন্ধ হবে না, বরং সম্প্রসারিত হবে আশা করছি।

সিরাজগঞ্জ সদর।

Share this news as a Photo Card

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ