সোমবার, ৮ আগস্ট,২০২২

 

নওগাঁর পোরশা উপজেলার ছাওড় ইউনিয়নের,৯নং ওয়ার্ডের, গ্রাম: শিয়াল ডাঙ্গা । 2000ইং সালে গ্রামটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তখন থেকে এখানে শুধু আদিবাসী নারী-পুরুষের বসবাস। বর্তমানে গ্রামটির ২৬টি বাড়িতে নারী-পুরুষ, ছেলে-মেয়ে সহ প্রায় দুই শতাধীক লোকের বসবাস।

বিগত ২২বছর গ্রামটিতে প্রবেশের কোন রাস্তা ছিলনা। গ্রামের সকলেই বিভিন্ন দিক দিয়ে গ্রামে প্রবেশ করতো। এতে চিকিৎসা সহ তাদের ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখারও সমস্য হতো। বিগত বছরগুলিতে কোন জনপ্রতিনিধিও তাদের রাস্তাটির ব্যপারে পদক্ষেপ নেয়নি বলে তাদের বিস্তর অভিযোগ। তবে যাই হোক এবারে গ্রামে প্রবেশের একটি রাস্তা পেয়ে তারা অনেক অনেক খুশি।

এ জন্য তারা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ্ মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী,
ভাইস চেয়ারম্যান কাজীবুল ইসলাম,
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শিয়াল ডাঙ্গা বসবাসকারী,
শ্রী সাবুলাল তির্কী,
শ্রী রবন মণ্ডল,
শ্রী বিমল লাকড়া,
শ্রী জয়ন্ত মিন্জ,
শ্রী হরিধন টপ্প,
শ্রী মতিলাল তির্কী,
শ্রী অনীল তির্কী,
শ্রী বিশ্বনাথ খালকো,
শ্রী নিরাতন,
শ্রীমনো সরদার,
শ্রী বিরেন টপ্প,
শ্রীমতি মনিকা খালকো,
শ্রীমতি বিশদ মনি,
শ্রীমতি উরমিলা,
শ্রীমতি ভগবতি,
শ্রীমতি আলোতী,
শ্রীমতি চাঁনমনি,
শ্রীমতি অনিতা ও শ্রীমতি সোনিয়া ও শ্রীমতি জন্জালী তির্কী,জানান, ২২বছর পর রাস্তা পেয়ে তারা অনেক খুব খুশি। তারা নিজেরা গ্রামে সকলেই মিলে চেয়ারম্যানদের সহযোগীতায় রাস্তাটি তৈরী করেছেন। এতে কেউ তাদের বাঁধা দেইনি বলে তারা জানান।

তারা জানান, রাস্তা না থাকায় বিগত বছরগুলিতে তাদের গ্রামের নারী-পুরুষদের মধ্যে কেউ অসুস্থ্য হলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে পারেননি। ছেলে-মেয়েরা ঠিকমত বিদ্যালয়ে যেতে পারেননি। বর্ষা আসলে চলাচলের খুব অসুবিধা হতো। এখন রাস্তাটি হওয়ায় তারা সবিই করতে পারছেন। এটা সম্ভব হয়েছে শুধু চেয়ারম্যানদের সহযোগীতার জন্য। এদের মত লোককেই তারা ভবিষ্যতে জনপ্রতিনিধি দেখতে চান বলে জানান। তবে এতদিন পরে রাস্তা দিয়ে নিজ গ্রামে প্রবেশ করতে পাচ্ছেন বলে তারা সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।

Share this news as a Photo Card

পোস্টটি শেয়ার করুনঃ