
এই সেই লেমন মিস্ত্রী যার কু-মতলবে একটি নারী সংসার হারাচ্ছে!
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি ঃ
খুলনার দাকোপে ধোপাদীতে রিক্তা মিস্ত্রী স্বামী পলাশ মিস্ত্রী দীর্ঘদিন যাবত নির্যাতনের শিকার মর্মে অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিতা রিক্তা মিস্ত্রী নির্যাতনের এক পর্যায়ে ইউ এন ও দাকোপ বরাবর একটি অভিযোগ করে।ইউ এন ও দাকোপ এর নির্দেশক্রমে রিক্তা গ্রাম্য আদালতে একটি মামলা দায়ের করে যার নং -২৬/২০২৬তারিখ ২০/০৫/২০২৬ইং।এখন পরিবারের পক্ষ থেকে রিক্তাকে মানসিক রোগী বলে প্রচার করছে।আসলে রিক্তা মানসিক রোগী নয়। যা এলাকাবাসীর ভাষ্য। পার্শ্ববর্তী সুভাষ বিশ্বাস নির্যাতনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন,” আমরা কয়েকবার চেষ্টা করে ও ব্যর্থ হই। শেষ পর্যন্ত ক্ষিতিশ গাইনের উপর দেওয়া হয়েছিল সে ও ব্যর্থ” । রিক্তা মিস্ত্রী বলে, ” আমি স্বামী সন্তান নিয়ে সুখের সংসার করতে চাই। বিভিন্ন কারণে সেটা হতে দিচ্ছে না আমার শশুর, শাশুড়ি,কাকা শশুর বিষ্ণু মিস্ত্রী ও দেবর লেমন । আমি এই সত্যি কারণ গুলো যখন বলি তখন আমি হই মানসিক রোগী। আমার স্বামী অধিক রাত করে বাড়ি ফেরার সুযোগে দেবর লেমন মিস্ত্রী আমাকে ডিস্টার্ব করে তাই ঘরে তালা মেরে ঘুমাই। এ কারণেই লেমন আমাকে মারার হুমকি দেয় ও পলাশকে কূ-পরামর্শের ঈন্দন দেয়। আমার শোকেচ এর ড্রয়ার খুলে সোনার গহনাগুলো আত্মসাৎ করেছে তা বললে আমি হই মানসিক রোগী। ২০২২ সালে আর একবার এই একই ঘটনা ঘটেছিল। সেদিনও পলাশ তার মায়ের কাছ থেকে হারানো আমার স্বর্ণের গহনা গুলো ফেরত দিয়েছিল । আমার ছেলে অরিত্র মিস্ত্রী পেটে এলে ছেমন্ত্রনের সময় আমার পিতা পাঁচ ফুলি একটি আংটি দিয়েছিল।সেটিও আমার শাশুড়ি কমলা মিস্ত্রী আত্মসাৎ করেছে। বারবার চাইলে ও দেয় না।যা দিয়ে আমার স্বামী পলাশকে বশিকরন করে রেখেছে। তাই সে আমার কাছে থাকে না। থাকে ও খায় আমার শশুর শাশুড়ির ঘরে।এমন ঘটনা দুনিয়ায় বিরল। এরা এতোই প্রভাবশালী যে কেউই তাদের সামনে মুখ খুলতে ভয় পায়। আমিআমার সোনার গহনাগুলো ফেরত পেতে চাই এবং স্বামী সন্তান নিয়ে সুখের সংসার গড়তে চাই “। সচেতন মহলের ভাষ্য,” এভাবে নারীদের প্রতি অবিচার চলতে থাকলে নারীরা আত্মহত্যার মত জঘন্য পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে।আর এরজন্য দায়ি জঘন্য পুরুষ ও ন্যায় বিচারের জটিলতা “।


